মৌমাছির ক্রোমজোম।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
মৌমাছির ক্রোমজোম।। ম্যাথমেটিক্যাল ;
পবিত্র
কুরআনের
সাক্ষ্য
পবিত্র কুরআনে মৌমাছি নিয়ে একটি সূরা আছে এটির নাম নাহল । সূরার ক্রমিক নং ১৬ এতে আয়াত সংখ্যা ১২৮ টি । অর্থ শুনলে মনে হতে পারে পুরো সুরাটাই বুঝি মৌমাছিদের জীবনচক্র বা ঘটনা প্রবাহ নিয়ে লেখা কিন্তু আসলে তা নয় । এই সূরার শুধু ৬৮ আয়াতে পুরো কুরআনে মৌমাছির কথা উল্লেখ আছে ।
মৌমাছি বিশ্বে ১০০ রকমের ফল আর ৯০ভাগ খাদ্য শস্যেরই পরাগায়ন হয় মৌমাছির সাহায্যে। মৌমাছি না থাকলে কমে যাবে ফসল কিংবা ফলমূলের উৎপাদন। দেখা দেবে খাদ্য সংকট। কিন্তু বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন এর কারনে এদের সংখ্যা অনেক কমে যাচ্ছে ।
![]() |
| মৌমাছি |
মৌচাকে তিন ধরনের মৌমাছি থাকে– রানী, কর্মী ও স্ত্রী মৌমাছি।
এবার দেখি পবিত্র কুরআনে মৌমাছি সমন্ধে কি কি বলা আছে -
১) এই সূরার ক্রমিক নং ১৬ আর পুরুষ মৌমাছিতে ক্রোমোজোম এর সংখ্যা হচ্ছে ১৬ টি (হ্যাপ্লয়েড) । আবার এর মোট আয়াত সংখ্যা ১২৮ টি যা ১৬ দ্বারা বিভাজ্য ।
তাহলে ১২৮/১৬ = ৮
১২৮/৩২ = ৪
৮ x ৪ = ৩২ [ স্ত্রী মৌমাছিতে ক্রোমেজোম সংখ্যা ]
বা পুরুষ ক্রোমজোম x ২ ;
১৬x২ = ৩২ টি (ডিপ্লয়েড) ক্রোমোজোম আছে স্ত্রী মৌমাছিতে ।
যে কোন মৌমাছি জন্য ক্রোমজোমের এ সংখ্যাটি সুনিদির্ষ্ট বা অপরিবর্তনীয় ।
২) এ সূরার শেষ নং আয়াত হচ্ছে ১২৮ । এখানে মোট বর্ণ আছে ৩২ টি ।
আবার এই সুরার ১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ৬৫ নং আয়াত পর্যন্ত "আল্লাহ" নামটি ৩২ ( মৌমাছি শব্দটি ৬৮ নং আয়াতে
এসেছে । ৬৮ নং আয়াত এর আগ পর্যন্ত আল্লাহ্ শব্দটি ধরা হয়েছে ) বার এসেছে যা স্ত্রী মৌমাছির ক্রোমোজোম সংখ্যার সমান
। অথছ ক্রোমোজোম আবিষ্কার হয় মাত্র ১৫০ বছর আগে ! আর পবিত্র কুরআন ১৪৫০ বছর আগে বলে রখেছে ।
এসেছে । ৬৮ নং আয়াত এর আগ পর্যন্ত আল্লাহ্ শব্দটি ধরা হয়েছে ) বার এসেছে যা স্ত্রী মৌমাছির ক্রোমোজোম সংখ্যার সমান
। অথছ ক্রোমোজোম আবিষ্কার হয় মাত্র ১৫০ বছর আগে ! আর পবিত্র কুরআন ১৪৫০ বছর আগে বলে রখেছে ।
৩) পুরো পবিত্র কুরআনে আন-নাহল শব্দটি আছে মাত্র একবার তা হচ্ছে ৬৮ নং আয়াতে । আর সূরার ক্রমিক নং ১৬ । ৬৮ নং আয়াতে মোট শব্দ আছে ১৩ টি তাহলে আমরা গুন করে পাই
৬৮ x ১৩ = ৮৮৪ [নীচে টেবিল ০১ দেওয়া আছে]
আবার এই সূরার প্রথম আয়াত থেকে ৬৮ নং আয়াতের নাহল পর্যন্ত মোট গণনা করলে পাই ৮৮৪ শব্দ ! কি এক অবিশ্বাস্য মিল ।
৪) যেহেতু সূরার ক্রমিক নং ১৬ তাই ১৬ এর গুনিতক গুলো ;
১৬*১ =১৬ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ৪ )
১৬*২ = ৩২ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ১২ )
১৬*৩ = ৪৮ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ১৭ )
১৬*৪ = ৬৪ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ১৪ )
১৬*৫ = ৮০ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ২৫ )
১৬*৬ = ৯৬ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ১৫ )
১৬*৭ = ১১২ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ২৪ )
১৬*৮ = ১২৮ ( এ আয়াতে শব্দ আছে ৮ ) [ যা এই সূরার সর্বশেষ আয়াতের সংখ্যার সাথে মিলে যায় ]
১৬ , ৩২ ,৪৮ ,৬৪ ,৮০ ,৯৬ ,১১২ ,১২৮ আয়াতে মোট শব্দ আছে = ( ৪+ ১২ + ১৭ + ১৪ + ২৫ + ১৫ + ২৪ + ৮ ) =১১৯ টি
যেহেতু সুরার নামে (নাহল) ক্রমিক সংখ্যার (১৬) গুনতিক তাই সূরার আরবীর জিমাট্রিক্যাল মান (النحل ) = (১ + ৩০ + ৫০ + ৮ + ৩০) =
১১৯ !
৫) পূর্বে বলেছি পবিত্র কুরআনে শুধু এক স্থানে মৌমাছির কথা উল্লেখ আছে আর তা হল সূরা নাহলের ৬৮ নং আয়াত ।
আবার আমরা পাই ২১৬ = ৬ x ৬ x ৬ এখানে ৬ সংখ্যা দ্বারা বুঝায় হেক্সাগোনাল বা ছয় কোন আকৃতি মৌচাক এর সেল বা কোষ যা তার মহান প্রভু তাকে শিক্ষা দিয়েছিল (তোমার প্রতিপালক মৌমাছির প্রতি এলহাম করেছেন যে, পাহাড়ে, বৃক্ষে আর উঁচু চালে বাসা তৈরি কর {১৬:৬৮}।)।
![]() |
| মৌচাক / হেক্সাগোনাল |
অর্থাৎ মহান আল্লাহ্ তার বাণীকে নির্ভূল ভাবে বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করেছেন যাতে অবিশ্বাসীদের মনে দাগ কাটে আবার ঈমানদারদের ঈমান যাতে আরো বৃদ্ধি পায় ।
টেবিল ০১
নাহল সূরা
|
শব্দ
|
আয়াত
নং - ১
|
৯
|
আয়াত
নং - ২
|
১৮
|
আয়াত
নং - ৩
|
৭
|
আয়াত
নং - ৪
|
৮
|
আয়াত
নং - ৫
|
৮
|
আয়াত
নং - ৬
|
৭
|
আয়াত
নং - ৭
|
১৪
|
আয়াত
নং - ৮
|
৯
|
আয়াত
নং - ৯
|
১০
|
আয়াত
নং - ১০
|
১৩
|
আয়াত
নং - ১১
|
১৬
|
আয়াত
নং - ১২
|
১৫
|
আয়াত
নং - ১৩
|
১৩
|
আয়াত
নং - ১৪
|
২১
|
আয়াত
নং - ১৫
|
১১
|
আয়াত
নং - ১৬
|
৪
|
আয়াত
নং - ১৭
|
৭
|
আয়াত
নং - ১৮
|
১০
|
আয়াত
নং - ১৯
|
৬
|
আয়াত
নং - ২০
|
১০
|
আয়াত
নং - ২১
|
৭
|
আয়াত
নং - ২২
|
১১
|
আয়াত
নং - ২৩
|
১৩
|
আয়াত
নং - ২৪
|
৯
|
আয়াত
নং - ২৫
|
১৫
|
আয়াত
নং - ২৬
|
২১
|
আয়াত
নং - ২৭
|
২১
|
আয়াত
নং - ২৮
|
১৯
|
আয়াত
নং - ২৯
|
৮
|
আয়াত
নং - ৩০
|
২০
|
আয়াত
নং - ৩১
|
১৫
|
আয়াত
নং - ৩২
|
১২
|
আয়াত
নং - ৩৩
|
২২
|
আয়াত
নং - ৩৪
|
১০
|
আয়াত
নং - ৩৫
|
৩২
|
আয়াত
নং - ৩৬
|
২৮
|
আয়াত
নং - ৩৭
|
১৪
|
আয়াত
নং - ৩৮
|
১৮
|
আয়াত
নং - ৩৯
|
১১
|
আয়াত
নং - ৪০
|
১০
|
আয়াত
নং - ৪১
|
১৮
|
আয়াত
নং - ৪২
|
৫
|
আয়াত
নং - ৪৩
|
১৫
|
আয়াত
নং - ৪৪
|
১২
|
আয়াত
নং - ৪৫
|
১৬
|
আয়াত
নং - ৪৬
|
৭
|
আয়াত
নং - ৪৭
|
৮
|
আয়াত
নং - ৪৮
|
১৭
|
আয়াত
নং - ৪৯
|
১৪
|
আয়াত
নং - ৫০
|
৭
|
আয়াত
নং - ৫১
|
১২
|
আয়াত
নং - ৫২
|
১১
|
আয়াত
নং - ৫৩
|
১২
|
আয়াত
নং - ৫৪
|
১০
|
আয়াত
নং - ৫৫
|
৬
|
আয়াত
নং - ৫৬
|
১২
|
আয়াত
নং - ৫৭
|
৭
|
আয়াত
নং - ৫৮
|
৯
|
আয়াত
নং - ৫৯
|
১৯
|
আয়াত
নং - ৬০
|
১২
|
আয়াত
নং - ৬১
|
২৩
|
আয়াত
নং - ৬২
|
১৭
|
আয়াত
নং - ৬৩
|
১৭
|
আয়াত
নং - ৬৪
|
১৪
|
আয়াত
নং - ৬৫
|
১৬
|
আয়াত
নং - ৬৬
|
১৭
|
আয়াত
নং - ৬৭
|
১৫
|
আয়াত
নং - ৬৮
|
৪
|
মোট যোগফল = ৮৮৪
|
|
সম্পাদনায় -
মোহাম্মদ মুদ্দাচ্ছির
ইসলাম
পাটওয়ারী





Comments
Post a Comment