আদম ও ঈসা আ: এর সম্পর্ক ।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
আদম ও ঈসা আ: এর সম্পর্ক ।। ম্যাথমেটিক্যাল ; পবিত্র কুরআনের সাক্ষ্য
পবিত্র কুরআনে আদম ও ঈসা আ: এর নাম উল্লেখ আছে ২৫ বার করে ।
(عِيسَىٰ) ঈসা (আ:) এর জিমাট্রিক্যাল মান = ৭০+১০+৬০+১০ এবং (ءَادَم) আদম (আ:) এর জিমাট্রিক্যাল মান = ১+১+৪+৪০ ।
এবার পাশাপাশি যোগ করে পাই ৭+০+১+০+৬+০+১+০+১+১+৪+৪+০ = ২৫ যা পবিত্র কুরআনে ঈসা বা আদম (আ:) এর নাম উল্লেখ এর সমান ।
![]() |
| জিমাট্রিক্যাল মান |
খ্র্রিস্টানেরা বিশ্বাস করে ঈসা (আ:) পিতা ছাড়া জন্ম নিয়েছে তাই তিনি আল্লাহর পুত্র ! যা মহান আল্লাহর উপর মস্তবড় শিরক । মহান আল্লাহ্ বলেন আমি ঈসা কে সৃষ্টি করেছি সেইভাবে যে ভাবে প্রথম আদম কে সৃষ্টি করেছি ।
এখন টেবিল ০১ লক্ষ করি -
এখন টেবিল ০২ লক্ষ করি-
টেবিল ০৩ লক্ষ করি -
পবিত্র কুরআনে আদম ও ঈসা আ: এর নাম উল্লেখ
| ক্রমিক | আদম আ: | ঈসা আ: | ক্রমিক |
|---|---|---|---|
| ১ | (২:৩১:২)* | (২:৮৭:১০) | ১ |
| ২ | (২:৩৩:২) | (২:১৩৬:১৮) | ২ |
| ৩ | (২:৩৪:৫) | (২:২৫৩:১৫) | ৩ |
| ৪ | (২:৩৫:২) | (৩:৪৫:১২) | ৪ |
| ৫ | (২:৩৭:২) | (৩:৫২:৩) | ৫ |
| ৬ | (৩:৩৩:৪) | (৩:৫৫:৪) | ৬ |
| ৭ | (৩:৫৯:৭) | (৩:৫৯:৩) | ৭ |
| ৮ | (৫:২৭:৫) | (৩:৮৪:১৮) | ৮ |
| ৯ | (৭:১১:৯) | (৪:১৫৭:৫) | ৯ |
| ১০ | (৭:১৯:১) | (৪:১৬৩:১৮) | ১০ |
| ১১ | (৭:২৬:২) | (৪:১৭১:১৫) | ১১ |
| ১২ | (৭:২৭:২) | (৫:৪৬:৪) | ১২ |
| ১৩ | (৭:৩১:২) | (৫:৭৮:১০) | ১৩ |
| ১৪ | (৭:৩৫:২) | (৫:১১০:৪) | ১৪ |
| ১৫ | (৭:১৭২:৬) | (৫:১১২:৪) | ১৫ |
| ১৬ | (১৭:৬১:৫) | (৫:১১৪:২) | ১৬ |
| ১৭ | (১৭:৭০:৪) | (৫:১১৬:৪) | ১৭ |
| ১৮ | (১৮:৫০:৫) | (৬:৮৫:৩) | ১৮ |
| ১৯ | (১৯:৫৮:১০) | (১৯:৩৪:২) | ১৯ |
| ২০ | (২০:১১৫:৪) | (৩৩:৭:১১) | ২০ |
| ২১ | (২০:১১৬:৫) | (৪২:১৩:১৭) | ২১ |
| ২২ | (২০:১১৭:২) | (৪৩:৬৩:৩) | ২২ |
| ২৩ | (২০:১২০:৫) | (৫৭:২৭:৭) | ২৩ |
| ২৪ | (২০:১২১:১৩) | (৬১:৬:৩) | ২৪ |
| ২৫ | (৩৬:৬০:৫) | (৬১:১৪:৯) | ২৫ | *(২:৮৭:১০) দ্বারা বুঝায় ২ = সূরার নাম্বার (বাকারা) , ৮৭ = সূরারর আয়াত সংখ্যা , ১০ = শব্দের ক্রমিক নাম্বার । |
এখন টেবিল ০২ লক্ষ করি-
টেবিল ০৩ লক্ষ করি -
উপরের টেবিল ১ নং বা টেবিল ০২ ও ০৩ হতে আমরা একটা সুন্দর উপসংহার পাই ।
মহান আল্লাহ্ বলেন : ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকটে ঈসার দৃষ্টান্ত হল আদমের মত (আলে ইমরান ৩/৫৯)।
প্রথম , আদম আ: এর নাম ২৫ বার যেখানে ঈসা এর নাম ও ২৫ বার এসেছে !
দ্বিতীয় , দুইটা টেবিলে ক্রমান্বয়ে উপর থেকে দেখলে আমরা ৭ নং এ দেখতে পাই উভয় এর ক্ষেত্রে একই কথা সুন্দর ভাবে মিলে যায় ।
তৃতীয় , ক্রমিক ভাবে আদম আ: কে ১৯ তম উল্লেখ করার (আদমের সন্তান) পর ঈসা আ: কেও ১৯ তম উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে বলা হচ্ছে মরিয়মের সন্তান । আবার সূরা মরিয়ম হচ্ছে পবিত্র কুরআনের ১৯ তম সূরা !
চতুর্থ , পবিত্র কুরআনে নাম্বার ৭ ও ১৯ এর বিশাল গানিতিক রহস্য আছে (বিস্তারিত আলোচনা আছে)
সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কে এই সুন্দর ভাবে উপস্থান করতে পারে ? (সুবহানাল্লাহ্)
সম্পাদনায়-
মোহাম্মদ মুদ্দাচ্ছির ইসলাম পাটওয়ারী



Comments
Post a Comment